মতিয়ার চৌধুরী ,লন্ডনঃ  সেন্ট্রেল লন্ডনের টেমস নদীতে  টাওয়ার ব্রিজের মাঝামাঝি স্থানে ব্রিজের নীচ  দিয়ে জাহাজ চলাচলের সময় ব্রীজের মধ্যবর্তী অংশ যেটি বাসকিউলস হিসেবে পরিচিত তা দু’পাশে আপনাআপিনি উপরে উঠে যায়। জাহাজ  অতিক্রম করার পর তা আবার স্বাভাবিক স্থানে নেমে আসে ।

জাহাজ চলে যাবার পর  যাত্রী ও যানবাহন চলাচল শুরু হয়। গতকাল শনিবার লন্ডন সময় বিকেল চারটার দিকে একটি জাহাজ  ব্রীজের নিচ দিয়ে অতিক্রম করার সময় ‘বাসকিউলস’টি নেমে আসার সময় হঠাৎ আটকে গেলে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা পথাচারী ও যানবাহন পারাপারে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়।

দশজন প্রকৌশলী কয়েকঘণ্টা  চেষ্টা করেও যান্ত্রিক ত্রুটি দূর করতে পারেননি। এই রিপোট লিখা  পর্যন্ত বাসকিউলসটি মেরামত করা সম্ভব হয়নি। একপাশের ‘বাসকিউলস’টি নেমে এলেও অপর পাশেরটা  উপরে আটকে রয়েছে।যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে  ব্রিজটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এর ফলে শতশত পথচারী ও যানবাহন সেতুর দু’পাশে আটকে পড়ে। পথচারী ও যানবাহন গুলোকে বিকল্প পথ হিসেবে  চেলসী, ওয়াটারলো ও লন্ডন ব্রিজ এবং ব্লাকওয়াল অথবা রদারহাইথ ট্যানেল ব্যবহারের কথা বলছে পুলিশ।  যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত না হওয়া পর্যন্ত ব্রিজটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে এধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি এই প্রথম নয়। ২০০৫ সালেও একবার এধরনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে টাওয়ার ব্রিজ  ১০ ঘন্টা বন্ধ ছিল। রাজধানী লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজটি পর্যটকদের জন্যে এক আকর্ষণীয় স্থান এবং প্রতিদিন শতশত ভ্রমণ পিয়াসু সেখানে জড়ো হয়। সেতুটির একটি ‘বাসকিউলস’এর ওজন ১১’শ টনের বেশি।

এবং জাহাজ গুলো ব্রিজ অতিক্রম করার সময় দুটি ‘বাসকিউলস’কে উপরে টেনে তুলতে একহাজার ৪’শ টন ওজনের শক্তি প্রয়োগ করতে হয়।

 

By udaytv

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!